রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি
ওয়া সাল্লামকে সম্বধোন করিয়া বলা হইতেছে যে– আপনি বলিয়া
দিন যে যাহার জ্ঞানী ও যাহারা অজ্ঞ, তাহারা কি বরাবর হইতে
পারে (সূরা যুমারঃ৯)
হে ঈমানদারগন, যখন তোমাদিগকে বলা
হয় যে, মাজলিসে অন্যদের জন্য বসার জায়গা করিয়া দাও তখন
তোমরা আগতদের জন্য জায়গা করিয়া দিও, আল্লহ তায়া’লা
তোমাদিগকে (জান্নাতে) প্রশস্ত জায়গা দান করিবেন। আর যখন (কোন
প্রয়োজনে) তোমাদিগকে বলা হয় যে, মাজলিস হইতে উঠিয়া যাও।
তখন উঠিয়া যাইও। আল্লহ তায়া’লা (এই হুকুম ও এমনিভাবে
অপরাপর হুকুম মান্য করার কারণে) তোমাদের মধ্যে ঈমনদারগনের
এবং যাহাদিগকে (দ্বীনের) ইলম দান করা হইয়াছে তাহাদের মর্তবা
উঁচা করিয়া দিবেন, আর তোমরা যাহাকিছু কর উহা সম্পর্কে
আল্লহ তায়া’লা অবগত আছেন। (সূরা মুজাদালাহঃ১১)
সত্যকে অসত্যের সহিত মিশ্রিত
করিও না এবং জানিয়া বুঝিয়া সত্য (অর্থাৎ শারিয়াতের হুকুম
আহকাম)কে গোপন করিও না। (সূরা বাকারাহঃ ৪২)
(কি আশ্চর্য! যে,) তোমরা লোকদের
তো নেক কাজের হুকুম কর, অথচ নিজেদের খবর লও না। অথচ তোমরা
কিতাব তেলাওয়াত করিয়া থাক। (যাহার চাহিদা এই ছিল যে। তোমরা
ইলমের উপরে আমাল করিতে) তবে কি তোমরা এতটুকুও বুঝ না? (সূরা
বাকারাহঃ ৪৪)
হযরত শুআইব আ’লাইহিস সালাম আপন
কওমকে বলিলেন– (আমি যেমন তোমাদিগকে এই সকল বিষয়ে শিক্ষাদান
করিতেছি, নিজেও তো উহার উপর আমাল করিতেছি।) এবং আমি ইহা
চাই না, যে কাজ হইতে তোমাদিগকে নিষেধ করি স্বয়ং উহা করি। (সূরা
হুদঃ ৮৮)